أولا: اتباع المولى- عزّ وجلّ
প্রথমত: মহান আল্লাহর ইত্তেবা
১- قُلْ هَلْ مِنْ شُرَكائِكُمْ مَنْ يَهْدِي إِلَى الْحَقِّ قُلِ اللَّهُ يَهْدِي لِلْحَقِّ أَفَمَنْ يَهْدِي إِلَى الْحَقِّ أَحَقُّ أَنْ يُتَّبَعَ أَمَّنْ لا يَهِدِّي إِلَّا أَنْ يُهْدى فَما لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ (يونس: ৩৫ )
( ১ ) বল, ‘তোমাদের শরীকদের কেউ কি আছে, যে সত্যের পথ দেখাবে’? বল, ‘আল্লাহই সত্যের পথ দেখান। যিনি সত্যের পথ দেখান, তিনিই কি অনুসরণ করার অধিক হকদার, নাকি সে, যে পথ দেখানো ছাড়া পথ পায় না। সুতরাং তোমাদের কী হল? তোমরা কেমন বিচার করছ’।( সূরা ইউনুছ : ৩৫ )
২- الَّذِينَ يَحْمِلُونَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُونَ بِهِ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَحْمَةً وَعِلْماً فَاغْفِرْ لِلَّذِينَ تابُوا وَاتَّبَعُوا سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذابَ الْجَحِيمِ ( غافر: ৭ )
( ২ ) যারা আরশকে ধারণ করে এবং যারা এর চারপাশে রয়েছে, তারা তাদের রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ করে এবং তাঁর প্রতি ঈমান রাখে। আর মুমিনদের জন্য ক্ষমা চেয়ে বলে যে, ‘হে আমাদের রব, আপনি রহমত ও জ্ঞান দ্বারা সব কিছুকে পরিব্যপ্ত করে রয়েছেন। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার পথ অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আর জাহান্নামের আযাব থেকে আপনি তাদেরকে রক্ষা করুন’।
( সূরা গাফির : ৭ )
৩- ذلِكَ بِأَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا اتَّبَعُوا الْباطِلَ وَأَنَّ الَّذِينَ آمَنُوا اتَّبَعُوا الْحَقَّ مِنْ رَبِّهِمْ كَذلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ لِلنَّاسِ أَمْثالَهُمْ ( محمد: ৩ )
( ৩ ) তা এজন্য যে, যারা কুফরি করে তারা বাতিলের অনুসরণ করে, আর যারা ঈমান আনে তারা তাদের রবের প্রেরিত হকের অনুসরণ করে। এভাবেই আল্লাহ মানুষের জন্য তাদের দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন। ( সূরা মুহাম্মদ : ৩ )
৪- لا تُحَرِّكْ بِهِ لِسانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ (১৬) إِنَّ عَلَيْنا جَمْعَهُ وَقُرْآنَهُ (১৭) فَإِذا قَرَأْناهُ فَاتَّبِعْ قُرْآنَهُ(১৮) ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنا بَيانَهُ ( القيامة: ১৬- ১৮ مكية(
(৪) কোরআন তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে তুমি তোমার জিহ্বাকে দ্রুত আন্দোলিত করো না। (৫) নিশ্চয়ই এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমার দায়িত্বে। (৬) অত:পর যখন আমি তা পাঠ করি তখন তুমি তার পাঠের অনুসরণ কর। (৭) তারপর তার বর্ণনার দায়িত্ব আমারই। (সূরা কিয়ামাহ : ১৬ - ১৮)

ভালো লেগেছে
উত্তরমুছুননিয়মিত লিখা চাই।